প্রারম্ভিক

তোমার চোখেই প্রথম,

চোখ রেখেছিলাম আমি।

তোমার হাত ধরেছিলাম,

হারিয়েছিলাম আমি………

তোমার এলো চুলে

আমার দীর্ঘশ্বাস,

অনুভব করেছিলাম

তোমার নিঃশ্বাস………..

হয়তো ভালবাসি বলেই

তুমি আমার গন্তব্য

এবং তুমি আমার প্রথম কাব্য।

অন্তরালে

১.  ঘর্মাক্ত কপাল মুছে গামছায়

ভেজা গেঞ্জি, বিশ্রী গন্ধ

বলে, ‘টাকা দেন’

আমার তাড়া আছে……….

 

– কান্না হয়ে ঝরে ঘামের ফোঁটা।

 

২.  তোকে দেখার জন্য

আশ্চর্য রকম ব্যথা করছে

আমার চোখ-

ওই মামার দোকানটা মনে আছে ?

যে শালাকে আমি দু’চোখে দেখতে পারি না

কিন্তু মিস করি সেই মুহূর্তগুলো…..

 

– ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ ।

 

৩.  প্রতিদিন দেখা হয়

হয়তো অভাবের তাড়নায়

শুনেছি অনেকে ব্যবসা করে…..!

 

– ‘আমার আল্লাহ নবীজীর নাম’।

ইদানীং মনটা ভালো থাকে না

ইদানীং মনটা ভালো থাকে না ।

 

রাতে দুঃস্বপ্ন দেখি-

তেড়ে আসে অগুণতি কঙ্কাল

নিজেদের হাড় ঢাকবে বলে ।

 

রাজপথ কম্পিত হয় শাদা আলখাল্লা

পরিহিত সন্তদের মিছিলে শোনা যায়-

‘আমরা সাম্প্রদায়িকতার চাষ করি’

 

সফেদ সমুদ্র হতে গর্জন ভেসে আসে

‘ওইতো শালা-

শালারে মাইরা ফালা’ ।

 

আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেয়

অসংখ্য কিম্ভূত মাকড়সা নিপুণ

কারিগরের মতো তারা বুনে চলে

-ষড়যন্ত্রের কারেন্ট জাল ।

 

আরশোলার পি’ছে ঝাপিয়ে পড়ে

হিংস্র টিকটিকি !

-নিরীহ পোকামাকড়ের কাছে

টিকটিকিও একটি হিংস্র প্রাণী ।